রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
সিআরপিএফ কমান্ডোের মাস্ক না পড়ার অপরাধে শিকল বন্দি থানায়

সিআরপিএফ কমান্ডোের মাস্ক না পড়ার অপরাধে শিকল বন্দি থানায়

অনলাইন নিউজ :: করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। তাই মাস্ক না পড়ে রাস্তায় বের হওয়ার অভিযোগে কর্ণাটকে সিআরপিএফ’র বাহিনীর কোবরা ব্যাটেলিয়নের এক কমান্ডোকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হল থানায়। এই কোবরা ফোর্সকে দেশটির মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় মোতায়ন করা হয়। এ ঘটনার ছবি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সিআরপিএফ’র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল চিঠি পাঠিয়ে কর্ণাটক পুলিশের ডিজিপি প্রভীন সুদের কাছে এই ঘটনার কারণ জানতে চেয়েছেন।

এছাড়াও এতে জড়িত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে তারা এফআইএর করারও চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানা গেছে। এমন খবর প্রকাশ করেছে ভারতের গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।

স্থানীয় সূত্র মতে, কোবরা ব্যাটেলিয়নের ওই সদস্যের নাম সচিন সাওয়ান্ত। কর্ণাটকের বেলাগাভি শহরের তার বাড়ি। ছুটিতে নিজ বাড়িতেই ছিলেন সচিন।

গত ২৩ এপ্রিল মাস্ক না পরে রাস্তার ঘোরার সময় দুইজন কর্তব্যরত দুই পুলিশ কনেস্টবল তাকে আটক করেন। তিনি মাস্ক না পরে রাস্তায় কেন ঘুরছেন তা জিজ্ঞাসা করেন। এর উত্তরে ওই পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া হয় তার। এ সময় সচিন তাদের বাজে ভাষায় গালি দেন বলে দাবি করে পুলিশ।

সচিন আরো বলেন, ‘আমি একজন সিআরপিএফ সেনা। আপনারা আমাকে কোনো নির্দেশ দিতে পারেন না। আমি আপনাদের নির্দেশ কখনই মানব না।’ এরপর তিনি ওই পুলিশকে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

সিআরপিএফ’র পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া কর্ণাটকের ডিজিপিকে। ওই চিঠিতে বলা হয়, ওই সিআরপিএফ কমান্ডোর সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তাকে পুলিশ স্টেশনে খালি পায়ে অমানবিকভাবে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। ওই সেনা সদস্য যদি কোনো অন্যায় করে থাকেন তাহলে তাকে গ্রেপ্তার করার আগে সিআরপিএফ কর্তৃপক্ষ জানানো উচিত ছিল। তাহলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হোত না।

এদিকে সচিনের পরিবারের দাবি, সচিন নিজের বাড়ির সামনে বাইক পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়ে গন্ডগোল শুরু করেন। তাকে মারধর করার সঙ্গে সঙ্গে খালি পায়ে থানায় নিয়ে গিয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে। এই ঘটনায় সমস্ত সিআরপিএফ সেনাকে অপমান করা হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার এই বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করে দোষী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবি জানানো হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯